কাপাসিয়ার মানুষের জন্য আমি কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো : শহীদুল্লাহ শিকদার

গণতন্ত্রী পার্টি

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রো-ভিসি দেশের খ্যাতনামা চিকিৎসক, বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শহীদুল্লাহ শিকদার বলেছেন, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১৯ মিনিটের ভাষণ আজ বিশ্ব এতিহ্যের অংশ। জাতি সংঘের ইউনেসকো ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় বাংলাদেশের মানুষ গৌরবান্বিত বোধ করছে। মুক্তিযুদ্ধের  পক্ষের শক্তি হিসেবে গণতন্ত্রী পার্টির নেতা কর্মীরাও সেই ঐতিহ্যের অংশীদার। মহান মুক্তিযুদ্ধে যেমন  ৭ই মার্চের ভাষণ মূল প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে তেমনি আজও দেশের যে কোন সংকট কালে ৭ই মার্চের ভাষণ নিরন্তর শক্তি যুুগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি ১৭নভেম্বর শুকক্রবার বিকেলে গণতন্ত্রী পার্টি কাপাসিয়া শাখার কার্যালয়ে আয়োজিত ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

গণতন্ত্রী পার্টির কাপাসিয়া উপজেলা শাখার সহ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক খান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম এর সঞ্চালনায়  সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আঃ গণি, গণতন্ত্রী পার্টির নেতা মোঃ রেজাউল করিম খান, বাদল সরকার, নিমাই দাস, উৎপল বনিক, বিল্লাল হোসেন  প্রমুখ।

শহীদুল্লাহ শিকদার আরো বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি নানাভাবে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারায় বঙ্গবন্ধুর কাঙ্খিত সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে এগিয় যেতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতা বিশেষ করে কাপাসিয়ার কৃতিসন্তান বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ বাংঙ্গালীর ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থানের নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করার জন্যে সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নর জন্যে বঙ্গবন্ধুর সু-যোগ্য কন্যা বিশ্বনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবনের ভয়-ভীতিকে উপেক্ষা করে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রতিক্রিয়াশীল, সাম্প্রদায়িক পরাজিত শক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে এর ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩ রা নভেম্বর ঢাকার সেন্ট্রাল জেলখানায় খুনি চক্র বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন সহ জাতীয় ৪ নেতাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে।

জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যখন আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে জগতের কাছে রোল মডেল, ঠিক তখন আবার সেই পরাজিত প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এ ব্যাপারে সবাইকে তিনি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন ,কাপাসিয়ার মানুষের জন্য আমি কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো। আমি কাপাসিয়ার ৪ লাখ মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই। কাপাসিয়ার মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া আমার আগামী দিনের পাথেয়।