কাপাসিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিভিন্ন কলেজের ফলাফল

মোহাম্মদ মনজুরুল হক গাজী: আজ প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় ৭জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।এর মধ্যে বর্ণমালা কলেজ থেকে ৩জন, আব্দুল মজিদ বিজ্ঞান কলেজ থেকে ২জন জিপিএ ৫ পায়। একজন করে জিপিএ ৫ পায় কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ ও শরীফ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজ খেকে।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় কাপাসিয়ার ৯টি সাধারণ কলেজের শিক্ষার্থীরা ৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন। ৪টি কেন্দ্র কাপাসিয়া উপজেলায় অবস্থিত এবং ১টির কেন্দ্র পাশ্ববর্তী উপজেলার মনোহরদীতে অবস্থিত।

২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কাপাসিয়া উপজেলায় অবস্থিত কেন্দ্রগুলোতে পাশের হার বিবেচনায় ৬২.৮২% উত্তীর্ণ হয়ে  তারাগঞ্জ এইচ এন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এগিয়ে রয়েছে। সবচে পিছিয়ে পড়েছে আলহাজ্ব রেজাউল হক মহিলা কলেজ। এর পাশের হার ৩০%।

এছাড়া, আব্দুল মজিদ বিজ্ঞান কলেজে পাশের হার ৬১.২৫%,  বঙ্গতাজ ডিগ্রি কলেজে পাশের হার ৬০.৫৩%, শরীফ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজে পাশের হার ৫৪.৪৬%, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজে পাশের হার ৪৮.৪৫%।কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে পাশ করেছে ৪৪.১০%।

প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কাপাসিয়া উপজেলায় স্থাপিত কলেজগুলোর মধ্যে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বর্ণমালা কলেজ শীর্ষে রয়েছে।

বর্ণমালা কলেজের শিক্ষার্থীরা পাশ্ববর্তী উপজেলার মনোহরদী কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। তাদের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫৪। পাশ করেছে ১২৭ জন পরীক্ষার্থী। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ জন। এছাড়া, মনোহরদী কেন্দ্রে অংশ গ্রহণ  করে এইচএসসি পরীক্ষায় ৬৪.৩৬% উত্তীর্ণ হয় আড়াল জি এল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, কাপাসিয়া উপজেলা থেকে ৪টি কারিগরি কলেজের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি(বিএম) পরীক্ষায় অংশ নেয়।

উপজেলার আমরাইদ কারিগরি কলেজ থেকে এবারের পরীক্ষায় ১১৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩জন জিপিএ ৫ সহ ৭৪ জন উত্তীর্ণ হয়। পাশের হার ৬৪.৯১%। রেজাউল হক বিএম কলেজে পাশের হার ৭২.৯২%। এর মধ্যে জিপিএ ৫ রয়েছে ২জন। তাদের পরীক্ষার্থী ছিল ৯৬জন। পাশ করেছে ৭০জন।

৫৫.৮৮% পাশ করেছে কামারগাঁও কারিগরি কলেজের পরীক্ষার্থীরা। হাফিজ বিন ফজলুর রহমান কারিগরি কলেজ থেকে ৫৪জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয় ৩৭জন।পাশের হার৬৮.৫২%।জিপিএ ৫ পায় ২জন।

ফলাফল ব্যাপারে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক শামসুল হুদা লিটনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী ইংরেজিতে দুর্বল থাকায় ইংরেজিতেই ফেলের হার সবচেয়ে বেশি। তাই ইংরেজি ভীতি দূর করার ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করা উচিত।