কাপাসিয়া মানুষের খাদ্যাভ্যাস

কাপাসিয়ার ধারাবাহিক ইতিহাস : পর্ব-৩(৮)

অধ্যাপক শামসুল হুদা লিটন :Biggapon Channel- Liton

কাপাসিয়ার লোকজন সকাল, দুপুর ও রাত এই তিনবার আহার করে থাকে। বাসি তরকারি দিয়ে পান্তা খাওয়ার প্রচলন এখনো আাছে। পরিবারের লোকজন ভাত, রুটি ও খিচুরি খেয়ে থাকে।জল খাবার হিসাবে দুধ, কলা, চিড়া,মুড়ি,খই,নারিকেলের নাড়ুর প্রচলন আাছে। খাদ্য তালিকায় ভাত, মাছ,ডাল,শাক-সবজি,মাংস,বিভিন্ন ধরনের ভর্তা থাকে।

মুসলিম সম্প্রদায়ের ‘জিয়াফত’অনুষ্ঠানে পোলাও-কুরমা,মাছ-মাংস,সেমাই,পায়েস,দই মিষ্টি পরিবেশন হয়। অপরদিকে হিন্দু সম্প্রদায় তাদের সামাজিক অনুষ্ঠানে মাংসের পরিবর্তে বড়মাছ,পঞ্চবেঞ্জনের আয়োজন করে। তাদের সকল আয়োজনে দই-মিষ্টি থাকে। এক সময় প্রধান খাদ্য ছিল ভাত,মাছ,ডাল।বিয়ে এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানে মাছ,মাংস,দই,পিঠা-পায়েসের আয়োজন করা হতো।খাবারের পর পান-সুপারি দেয়ার রীতি বহুকাল ধরে প্রচলন আছে। নানা রকমের শরবতের প্রচলন রয়েছে।

এক সময় কাপাসিয়ার প্রতিটি বাড়িতে সকালের নাস্তা হিসাবে ‘জাও’ খাওয়ার প্রচলন ছিল।বিশেষ করে বোরো ধানের ‘জাও’ এর কদর ছিল সর্বত্র।বর্তমানে সকালের নাস্তা হিসাবে ‘জাও’ খেতে দেখা যায় না। ‘জাও’ অনেকটা রোগীদের খাবারে পরিনত হয়েছে।

খোদের ভাত ও চেপার ভর্তা এ অঞ্চলে একটি মুখরোচক খাবার। এক সময় বড় মেহমানিতে ‘মিডুরি’ খাওয়ার প্রচলন ছিল। বর্তমানে ‘মিডুরি’ খাওয়া অনেকটা কমে গেলেও কোখাও কোথাও এর প্রচলন রয়েছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে খিচুরি খাওয়া একটি পুরাতন রীতি ও ঐতিহ্য। রমযান মাসে বোট,মুড়ি,ছোলা,পেঁয়াজু,বেগুনী ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ।আপডেট হবে

আগের প্রতিবেদন : লোক শিল্প » কাপাসিয়া

পরবর্তী প্রতিবেদন :  কাপাসিয়ার সংস্কৃতির নবম অংশ

লেখক : শামসুল হুদা লিটন
কবি, সাংবাদিক, কলামিষ্ট
কাপাসিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গবেষক
অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, তারাগঞ্জ কলেজ, কাপাসিয়া, গাজীপুর
মোবাইল: ০১৭১৬৩৩৩১৯১।

দৃষ্টি আকর্ষণ :

  • এই প্রথমবারের মতো কাপাসিয়ার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে।
  • বিজ্ঞাপন চ্যানেলের মাধ্যমে এই ইতিহাস লিখছেন অধ্যাপক শামসুল হুদা লিটন
  • কাপাসিয়ার সঠিক ও নির্ভুল ইতিহাস রচনার স্বার্থে যে কেউ বিজ্ঞাপন চ্যানেলকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতে পারেন।
  • বিজ্ঞাপন চ্যানেল বিশ্বাস করে, আপনাদের তথ্য সহযোগিতা কাপাসিয়ার ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করবে এবং উত্তরোত্তর প্রজন্ম এই ইতিহাস জানবে ও অনুসরণ করবে।
  • বিজ্ঞাপন চ্যানেলে কাপাসিয়ার ইতিহাস নিয়ে প্রকাশিত ও প্রকাশিতব্য লেখাগুলো আপনাদের মূল্যবান তথ্যের ভিত্তিতে সময় সময় আপডেট করা হবে। তারপর এগুলো বই আকারে প্রকাশিত হবে।
  • কারো কাছে বর্ণিত ইতিহাসের কোনো তথ্য ভুয়া, অসত্য কিংবা আধাসত্য পরিলক্ষিত হওয়ার পর নিচের ঠিকানায় সঠিক ও নির্ভুল তথ্য জানালে কাপাসিয়ার ইতিহাসে আপনার অবদান উল্লেখ করা হবে।
  • ফেসবুক, টুইটার ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য বা পরামর্শ দিলে তা গ্রহণ করা সম্ভব হয়ে উঠে না। সুতরাং,  আপনি বা আপনারা যে কোনো তথ্য, মন্তব্য বা পরামর্শ জানাতে অনুগ্রহপূর্বক যোগাযোগ করুন :-

        »  মোঃ সাইফুল ইসলাম মোল্লা,  চেয়ারম্যান এন্ড সিইও, ওয়ার্ল্ড সেফগার্ড এন্ড মিডিয়া লিমিটেড   

           মোবাইল : ০১৯১০১০৭৩৪৩, ই-মেইল : [email protected]