কারারক্ষী ও মহিলা করারক্ষী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০১৮

“রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ” প্রত্যয়ে কারারক্ষী ও মহিলা করারক্ষী পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কারা অধিদপ্তরের আওতাধীন বাংলাদেশ জেল। এসএসসি বা সমমান উত্তীর্ণ হলেই পদটিতে আবেদন করা যাবে। আগ্রহী প্রার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।এ সংক্রান্ত একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিজ্ঞাপন চ্যানেল ডট কম জবপোস্টিং -এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন চ্যানেলে পোষ্ট করেছে কারা অধিদপ্তর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখ সকাল ১০টায়। আবেদন করা যাবে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত।নিবন্ধন ফি জমাদানের শেষ সময় ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ভর্তির তারিখ ও স্থান পরবর্তীকালে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে BDJ<space>SSC Board Keyword<space>SSC Roll<space>SSC PassYear<space>Home District Code<space>Upazilla Name লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

তাৎক্ষণিক তথ্য যাচাই করে যোগ্য প্রার্থীদের ফিরতি এসএমএসে একটি পিন (PIN) নম্বর পাঠানো হবে। প্রাপ্ত পিন নম্বরসহ BDJ<space>YES<space>PIN Number<space>Contact Mobile Number লিখে পুনরায় ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

দ্বিতীয় এসএমএস পাঠানোর সময় মোবাইলে আবেদন ফি বাবদ ১১১ টাকা এবং এসএমএস চার্জসহ মোট ১২১ টাকা ব্যালেন্স থাকতে হবে। আবেদন ফি কেটে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ একটি কনফার্মেশন এসএমএস পাঠানো হবে। রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ এসএমএসটি সংরক্ষণ করতে হবে।

জেলা কোটাসমূহ: পুরুষ কারারক্ষীর ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, কুড়িগ্রাম, বাগেরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। উল্লেখিত জেলার প্রার্থীগণ ব্যতিরেকে অন্য সকল জেলার প্রার্থীগণ আবেদন করতে পারবেন।

অন্যদিকে মহিলা কারারক্ষীর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঢাকা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, সিলেট, সুনামগঞ্জ, খুলনা, যশোর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, ভোলা, বরগুনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের যোগ্যতা: বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই এসএসসি পাস বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। আর বয়স সাধারণ ও অন্যান্য কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ০১-০২-২০১৮ তারিখে ১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছর। প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক ও অবিবাহিত হতে হবে এবং প্রার্থী যে জেলার বাসিন্দা, কেবল সেই জেলার প্রার্থী হিসেবে এ পদে নিয়োগের জন্য উপস্থিত হতে হবে। আর শারীরিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে পুরুষ প্রার্থীদের উচ্চতা কমপক্ষে ১.৬৭ মিটার, বুক কমপক্ষে ৮১.২৮ সে.মি. এবং ওজন কমপক্ষে ৫২ কেজি হতে হবে। অন্যদিকে, মহিলা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ১.৫৭ মিটার, বুক ৭৬.৮১ সে.মি. এবং ওজন কমপক্ষে ৪৫ কেজি হতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: বাছাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকালে প্রার্থীকে প্রতিটি সার্টিফিকেটের মূল কপির সঙ্গে অতিরিক্ত ১ কপি সত্যায়িত ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে। এ ছাড়া নমুনা ফরমের অনুকরণে পূরণকৃত আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ বা সাময়িক সনদের মূল কপি, সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক সনদের মূল কপি, জেলার স্থায়ী বাসিন্দার প্রমাণস্বরূপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার মেয়র বা ওয়ার্ড কমিশনারের কাছ থেকে স্থায়ী নাগরিকত্বের সনদের মূল কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি, ৩ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবিসহ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

বাছাই পদ্ধতি: প্রার্থীদের প্রথমে শারীরিক মাপ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের একই দিনে দেড় ঘণ্টার ৭০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘যেহেতু এ পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস চাওয়া হয়েছে, তাই এসএসসি উত্তীর্ণের প্রশ্নের মান যে ধরনের হয়ে থাকে, লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন তেমনই হবে।’ লিখিত পরীক্ষার বিষয় থাকবে চারটি—বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আবার ৩০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৪৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাস হতে হবে। তবে জেলার নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শূন্য পদের বিপরীতে কোটাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হবে।

বেতন-ভাতা ও সুবিধাদি: চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত একজন কারারক্ষী জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর ১৭তম গ্রেড অনুযায়ী ৯ হাজার টাকা স্কেলে বেতন পাবেন। এ ছাড়া বিধি মোতাবেক প্রাপ্য ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা পাওয়া যাবে। আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, একজন কারারক্ষী তাঁর দক্ষতা ও যোগ্যতা এবং বিভিন্ন বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী প্রধান কারারক্ষী, প্রধান কারারক্ষী, সর্বপ্রধান কারারক্ষী, সার্জন ইন্সপেক্টর পর্যন্ত হতে পারবেন।

আসুন দেখে নেই কারা অধিদপ্তর এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও চাকুরীর আবেদন ফরম-কারা অধিদপ্তর