প্রযুক্তির ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি

প্রদীপ সাহা: “রানার ছুটছে, তাই ঝুম ঝুম ঘন্টা বাজছে রাতে। রানার চলছে খবরের বোঝা হাতে। রানার চলছে রানার।” কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার রানারের দেখা মেলেনা প্রযুক্তির এ যুগে।

কবি মহাদেব সাহা’র “চিঠি দিও” কবিতার মতো এখন কেউ তার প্রেমিকাকে বলে না “করুনা করে হলেও চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও। আঙ্গুলের মিহিন সেলাই, ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও এটুকু সামান্য দাবি। চিঠি দিও, তোমার শাড়ির মতো, অক্ষরের পাড় বোনা একখানা চিঠি।”

‘চিঠি লিখলাম ও লিখলাম তোমাকে পড়ে জবাব দিয়োগো আমাকে।’ বাংলা সিনেমার এ গানের মতো কোন প্রেমিকও প্রেমিকার চিঠির অপেক্ষায় থাকেনা। অথচ এক সময় ডাক পিয়নের চিঠিই ছিল যোগাযোগের এক মাত্র উপায়।

প্রযুক্তির ছোঁয়া আজ শহড় ছেড়ে অজপাড়া গাঁয়েও পৌছে গেছে। তাই এসএমএস, মেইল আর ফেসবুকে চ্যাটই প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম।
পরিবারের কেউ দেশের বাইরে কিংবা কোথাও অবস্থান করলে তার খোঁজ নেওয়া হতো চিঠির মাধ্যমে, তাকে বাড়ির খোঁজ দেওয়ার একমাত্র মাধ্যম ছিল এই চিঠি লিখন পদ্ধতি। তখন মোবাইলের মতো দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যম ছিলনা বলে সবার কাছে জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল চিঠি।