শিক্ষা মন্ত্রণালয় নারী শিক্ষা উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : নারীদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নারী শিক্ষা উন্নয়ন, নির্যাতন ও নিপীড়ন বন্ধে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। ২০১৮ সাল থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

প্রকল্প প্রস্তাবনায় দেখা গেছে, দেশের ছয় মহিয়সী নারীদের জীবনী অবলম্বন করে নারী শিক্ষার অগ্রগতির উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। দেশের ছয় মহিয়সী নারীর নামে যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোকে নারী শিক্ষার আদর্শ প্রতিষ্ঠানরূপে গড়ে তোলা হবে। মাধ্যমিক থেকে কলেজ পর্যায়ের ছাত্রীদের সুস্থ শরীর গঠন, মনের বিকাশ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সুষ্ঠু গঠন নিশ্চিত করা হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনায় দেখা গেছে, মহিয়সী নারীদের নামে দেশের বিভিন্ন জেলায় স্থাপিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারীবান্ধব শিক্ষা কমপ্লেক্স, অডিটরিয়াম, একাডেমিক ভবন ও আবাসন ব্যবস্থা, লাইফ স্কিল ট্রেনিং বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের পরামর্শকের সাহায্যে প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি, দক্ষ মানবশক্তি, ডিজিটাল লাইব্রেরি ও মহিয়সী নারীদের স্মৃতি সংরক্ষণ কর্নার, ল্যাঙ্গুয়েজ ও আইটিসি ল্যাব, কাউন্সিলিং কর্নার স্থাপন, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, ইনডোর গেমস ও রিক্রিয়েশন রুম, যাতায়াতের সুবিধাসহ গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এ প্রকল্পটির মেয়াদ তিন বছর ধরা হয়েছে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পাঠানো হবে। তবে এখনও এ প্রকল্পের বাজেট নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রস্তাবকরা।

এ প্রসঙ্গে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াহেদুজ্জামান বিজ্ঞাপন চ্যানেলকে বলেন, মহিয়সী নারীদের অবদান তুলে ধরে নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে হবে। এতে শুধু নারী শিক্ষার উন্নয়ন নয়, নারী শিক্ষার্থীদের আরও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এ সব লক্ষ্যে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রকল্পটির কাজ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। একনেক থেকে বাজেট বরাদ্দ পেলে ২০১৮ সাল থেকে এর কার্যক্রম শুরু করা হবে।