শ্রীপুরে চারদিন আটকে রেখে কিশোরীকে গণধর্ষণ

শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধি: শ্রীপুরে এক কিশোরীকে চারদিন আটকে রেখে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের আবদার গ্রামের লাল পুকুরপার এলাকা থেকে তাকে মুমূর্ষূ অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

এ ঘটনায় ধর্ষিতার মামা সালমান আহমেদ বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে।

ওই কিশোরী উপজেলার জৈনা বাজার এলাকায় একটি পোষাক কারখানায় চাকুরী করত।

কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গার্মেন্টেসে চাকুরীর করা অবস্থায় আবদার গ্রামের বখাটে যুবক শামীম তাকে প্রায় সময়ই বিয়ের প্রলোভন দেখাত। তার উশৃঙ্খল আচরনে নিরুপায় হয়ে ওই কিশোরী চাকুরী ছেড়ে গাজীপুর সদরের মধ্য ভুরুলিয়া গ্রামে তার খালার বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে ঝিঁয়ের কাজ করত। ১লা বৈশাখের দিন বিকেল বেলা বখাটে শামীম তার সহযোগীদের নিয়ে কিশোরীকে অপহরন করে শ্রীপুরের আবদার এলাকায় চারদিন আটকে রেখে শামীম, জুয়েলসহ পাঁচ ব্যক্তি তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ওই কিশোরীর শারিরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে বখাটেরা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

মঙ্গলবার বিকেলে কৌশলে ওই কিশোরী ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশের সহযোগীতায় তাকে শ্রীপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহাম্মদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার এস.আই মনিরুজ্জামান মিয়া বিজ্ঞাপন চ্যানেলকে জানান, ভিকটিম গুরুত্বর আহত হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য গাজীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।