শ্রীপুরে সুন্দরী রমনীর ফাঁদ : বিধবা নারীকে বিদেশ নিয়ে দেহ ব্যবসার অভিযোগ

সুন্দরী রমনীর ফাঁদ

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: শ্রীপুরে সুন্দরী রমনীর ফাঁদে শিকার এক নিরিহ সরল বিধবা নারীকে বিদেশ নিয়ে দেহ ব্যবসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার মাওনা ইউনিয়নে বেলতলী গ্রামের মৃত রাশিদ মিয়ার স্ত্রী মোছা: জায়েদা বেগমকে একই এলাকার মৃত সামসুদ্দিনের মেয়ে সুন্দরী রমনী মোছা: মোর্শেদা আক্তার (২৮) এর বিরুদ্ধে গাজীপুর পুলিশ সুপারের কাছে ক্ষতিগ্রস্থ ওই বিধবা বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, অনুমান ৩ বছর পূর্বে মোর্শেদা আক্তার বিভিন্ন কৌশলে বিধবা জায়েদার নিকট হতে একলাখ টাকা নিয়ে নেবালন মাদ্রাসার কাজ দিবে বলে নিয়ে যায়। লেবালন নিয়ে মাদ্রাসার কাজ না দিয়ে বিভিন্ন হোটেলে, বাড়ীতে ও পতিতালয়ে দেহ ব্যবসা করান। বিধবা মহিলা উপার্জিত টাকা আত্মস্যাৎ করে এবং পাসপোর্ট ভিসা সহ কাগজপত্র জোর পূর্বক নিয়ে যায় মোর্শেদা। পরে বিধবা মহিলা লেবালন পুলিশের কাছে আত্মসমর্থন করে। আত্মসমর্থন করলে পুলিশ লেবালন সরকার ৭ মাস জেলে রেখে পরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেন।

হতদরিদ্র নিরিহ সরল বিধবা মহিলা দেশে এসে দেহ ব্যবসায়ী ও মানব পাচারকারীর মোর্শেদার বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দিলে সে এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।

বিধবা জায়েদা বেগম জানান, বিভিন্ন সময় এলাকা থেকে নিরহ সরল যুবতী মহিলাদের বিদেশে পাচার করে সেই দেশে মোর্শেদার ও তার অপর স্বামী কামাল হোসেন আমাকে দিয়ে বিভিন্ন স্থানে দেহ ব্যবসায় নিয়োজিত করতো ও বড় হোটেল, পতিতালয়ে মাসিকভাবে বিক্রি করে দেন। দেহ ব্যবসাতে রাজি না হলে আমার ওপরে অমানুষিক নির্যাতন চলে।

মানব পাচাকারী মোছা: মোর্শেদা আক্তারের বিদেশের স্বামী নাম কামাল হোসেন।  বাংলাদেশের স্বামী নাম ইসমাইল হোসেন।

এই সুন্দরী নারী পাচারকারীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী এলাকাবাসীর।