শ্রীপুরে ৪ ঘন্টা ছাত্রীকে আটকে রেখে মারধর, তদন্ত কমিটি গঠন

তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয়

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: শ্রীপুরে তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে চার ঘন্টা আটকে রেখে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

১১ ফেব্রুয়ারি রোববার সকাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে লিথিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রী । এর প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল মুনসুর মানিক তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। ঘটনার সময় প্রধান শিক্ষককে সহায়তায় ছিলেন একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামান।

নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী ও তাঁর অভিভাবক জানান, গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাইরে কয়েকজন ছাত্র মারামারিতে লিপ্ত হয়। এঘটনার জের ধরে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামান দশম শ্রেণীর এ শিক্ষার্থীকে অফিস কক্ষে নিয়ে আটকিয়ে প্রধান শিক্ষককে খবর দেয়। কিছুক্ষণ পর প্রধান শিক্ষক অফিসে এসে দরজা বন্ধ করে বিদ্যালয়ের বাইরে মারামারির ঘটনায় ছাত্রীকে অভিযুক্ত করে মারধর করে। এসময় তাকে প্রায় চার ঘন্টা বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে আটকিয়ে রাখে। পরে অভিভাবকরা সংবাদ পেয়ে ছাত্রীকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেন।

এব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবুল মুনসুর মানিকের মুঠোফোনে একাধিক যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি তা গ্রহন করেননি। তবে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার জানান, এ ঘটনায় তিনি অবগত নন। খোঁজ নিয়ে প্রকৃত ঘটনা বের করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এবিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আকতার বিজ্ঞাপন চ্যানেলকে বলেন, শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অভিযোগ প্রাপ্তির কথা শিকার করে জানান এবিষয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।