সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোন প্রকার দালালের দ্বারা প্রতারিত হবেন না

পুলিশ

সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মাঠ পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা এই চারটি ধাপে শারীরিকভাবে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থী বাছাই নিশ্চিত করা হয়। প্রতিটি ধাপে সম্পূর্ন স্বচ্ছতার সাথে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

সাধারন জনগণের মনে ভ্রান্ত ধারনার সৃষ্টি হয়েছে যে, পুলিশে চাকুরী পেতে হলে আর্থিক লেনদেন করতে হয়। এ ধারণা থেকে আমাদের সবাইকে বের হয়ে আসতে হবে। প্রার্থীদের এবং তাদের অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অবগত করা হচ্ছে যে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোন প্রকার দালাল/প্রতারকের দ্বারা প্রতারিত হবেন না। এক শ্রেণীর দালাল/প্রতারক আপনাকে চাকুরী পাইয়ে দেয়ার কথা বলে আপনার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সাথে এদের কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নেই। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থী বাছাই হবে সম্পূর্ন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে।

পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগে স্বচ্ছতার বিষয়টি একটি উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করা যেতে পারে। কোন প্রকার নিয়োগের ক্ষেত্রে যদি ০৩-০৪ % নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি চাকুরীতে যোগদান না করেন তাহলে ধরে নেয়া হয় সেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোন প্রকার অস্বচ্ছতা অবলম্বন করা হয়নি, ঠিক তেমনি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পদে গতবছর নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় ০৬% লোক চাকুরীতে যোগদান করেনি। যদি অর্থের বিনিময়ে চাকুরী দেয়া হত তাহলে তারা চাকুরীতে যোগদান না করে অন্যত্র চলে যেতেন না। আর এটিই নিশ্চিত করে পুলিশে নিয়োগের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের কোন সত্যতা নেই।

আমরা আবারও নিশ্চিত করছি, সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে। তাই সকল প্রকার দালাল ও প্রতারক চক্রের কবল থেকে মুক্ত থাকুন এবং নিজের মেধা ও যোগ্যতার উপর আস্থা রাখুন।

জনস্বার্থে : বিজ্ঞাপন চ্যানেল