১১ দফা দাবীতে রাজপথে হাজার হাজার শিক্ষকের ঢল, লাগাতার ধর্মঘট

শিক্ষক

মোঃ রুহুল আমীন: বেসরকারী শিক্ষক সংগঠন শিক্ষক কর্মচারী কেন্দ্রীয় সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে ১১ দফা দাবীতে প্রেসক্লাবের সামনে রাজপথে শিক্ষক সমাবেশে হাজার হাজার শিক্ষকের ঢল নামে।১৪ মার্চ সকাল ১০টায় শিক্ষক সমাবেশ শুরু হয় এবং দুপুর সোয়া ১২টায় শেষ হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক নেতা আবু বকর সিদ্দিক।

শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের লক্ষ্যে ১১ দফা দাবীতে ৯টি শিক্ষক কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ মোর্চার উদ্যোগে আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানায় শিক্ষক নেতারা।

সমাবেশে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ, শিক্ষক কর্মচারীদের ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতা, বাড়ী ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা, অনুপাত প্রথা বিলুপ্ত করে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি, বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের অনুরূপ, শিক্ষক কর্মচারীদের পূর্বের ন্যায় টাইমস্কেল , অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা প্রদানের পরিবর্তে অবিলম্বে পূণাঙ্গ পেনশন চালু, নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সে পাঠদানকারী শিক্ষকসহ বিধিমোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করার দাবী জানানো হয়।

হাজার হাজার শিক্ষক কর্মচারীদের মহাসমাবেশে শিক্ষকনেতা অধ্যক্ষ আসাদুল হক, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, আজিজুল ইসলাম, মোহসীন হাওলাদার, আবু বকর সিদ্দিক, আউয়াল সিদ্দিকী, কাজী আঃ লতিফসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

শিক্ষকনেতা কাজী আঃ লতিফ জানান, ১৩ মার্চ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে সমাবেশের প্রস্তুতিকালে অধ্যক্ষ আসাাদুল হককে আটক করে এবং মাইক ও ব্যানার নিয়ে যায় শাহাবাগ থানা পুলিশ । অতঃপর তাঁকে মুক্ত করা হয়।

তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আশ্বাসের ভিত্তিতে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয় এবং ৭ দিনের ধর্মঘট পালনের ডাক দেওয়া হয়।