৩২ জনের একটি দল নিয়ে নৃত্য উৎসব ভারত ও বাংলাদেশ

চ্যানেল ডেস্কঃ   ভারতের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য উৎসব ও ডান্স ফেস্টিভ্যালে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ। এ বছর উৎসবের থিম রিজিওন ‘বাংলাদেশ’। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের খ্যাতিমান শিল্পীদের পাশাপাশি এই উৎসবে দেশীয় নৃত্য উপস্থাপন করবেন বাংলাদেশের একদল শিল্পী।
ফাল্গুনে ভারতের মধ্যপ্রদেশ ঘুরতে যান বহু পর্যটক। প্রাচীন স্থাপত্যশিল্পের পাশাপাশি তাঁদের অন্যতম আকর্ষণ থাকে খাজুরাহোর চিত্রগুপ্ত ও বিশ্বনাথ মন্দিরের সামনে মুক্তাঙ্গনে উৎসবের নাচ। এ বছর উপমহাদেশের বিখ্যাত এই উৎসব হবে ২০ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকবে। খ্যাতিমান শিল্পীদের পরিবেশনায় একই মঞ্চে থাকবে শাস্ত্রীয় নৃত্য কত্থক, কুচিপুড়ি, ওডিশি, ভরতনাট্যম, কথাকলি। এ বছর বাংলাদেশের জন্য থাকবে একটি স্বতন্ত্র প্যাভিলিয়ন। সেখানকার মঞ্চে প্রতিদিন যথাক্রমে রাইবেশে, বাউল-রবীন্দ্র-নজরুল ও দেশাত্মবোধক গানের সঙ্গে নাচ করবেন বাংলাদেশের শিল্পীরা। এ ছাড়া সেখানে প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের কাঁসা, জামদানি, মসলিনের মতো ঐতিহ্যবাহী লোকজ পণ্য।
গতবারের মতো এ বছরও উৎসবে যোগ দেবে বাংলাদেশের নৃত্যশিল্পী লুবনা মারিয়াম ও তাঁর দল। উৎসবের শেষ দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে মূল মঞ্চে ভরতনাট্যম পরিবেশন করবে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সংগঠন সাধনা। এ ছাড়া বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের মঞ্চে প্রতিদিন থাকবে তাদের পরিবেশনা। সাধনার শিল্পনির্দেশক লুবনা মারিয়াম জানান, নৃত্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ৩২ জনের একটি দল নিয়ে তাঁরা যোগ দিচ্ছেন উৎসবে। বাংলাদেশ এত বড় উৎসবের বিষয়বস্তু হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ ও তার নৃত্যশিল্পীদের জন্য অনেক সম্মানের। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমরা গর্বিত।’ গত উৎসবে মণিপুরি নাচ পরিবেশন করে প্রশংসিত হয়েছেন তাঁরা।
ভারতের মধ্যপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে খাজুরাহো ডান্স ফ্যাস্টিভ্যালের আয়োজক ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সংগীত ও কলা একাডেমি। সম্প্রতি উত্সবে যুক্ত হয়েছে ‘ফিউশন ডান্স’। খাজুরাহোসহ ভারতের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিল্প-সংস্কৃতি তরুণদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে এ উত্সবের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় লোকজন ছাড়াও পর্যটকদের জন্য এ উৎসব উন্মুক্ত।