আজ শুক্রবার | ১৭ আগস্ট, ২০১৮ || ২ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ || সময় ১১:৪৫ অপরাহ্ন
photo

‘বিভেদ সৃষ্টি’করতে দিল্লি সফর করতে চেয়েছিলেন কার্লাইল

     মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই, ২০১৮

Photo
খালেদা জিয়ার আইনী পরামর্শক আলেক্স কর্লাইল

চ্যানেল ডেস্ক :যুক্তরাজ্যে লর্ড সভার সদস্য এবং বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আইনী পরামর্শক আলেক্স কর্লাইল ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ‘বিভেদ সৃষ্টির’উদ্দেশ্যে ভারতে আসতে চেয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে কাজ করা তার ব্যক্তিগত সহকারী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিট্রিশ একটি গণমাধ্যমকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানিয়েছেন, দিল্লির ভিসা না পাওয়ায় সে সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। সূত্র বলছে, টুরিস্ট ভিসার সুপারিশ করে তিনি মূলত ভারতে এসে বিএনপির এজেন্ট হিসেবে কাজ করতে চেয়েছিলেন। তিনি বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ভারতকে যে সুবিধাগুলো দেয়া হবে সে সম্পর্কে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝাতে আসতে চেয়েছিলেন। ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোকে উস্কে দেয়ার জন্যই কার্লাইল আসতে চেয়েছিলেন বলেও একটি বিশেষ সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, দিল্লিতে কার্লাইলের আগমনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণতন্ত্রমনা দেশগুলোর পক্ষ থেকেও ভারত সরকারের উপর অঘোষিত চাপ ছিল বলেই মোদি সরকার বিতর্কিত আইনজীবী কার্লাইলের ভিসা বাতিল করে দেয়। গণতন্ত্রমনা দেশগুলোর ধারণা কার্লাইলের সাথে মোসাদের আর আইএসআইয়ের সরাসরি সম্পর্ক আছে। ইসরাইলের সাথে তার সম্পর্ক অনেক গভীর। সে যেখানেই যায় একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়েই যায় বলেই আন্তর্জাতিক মহল মনে করে।

এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার সরাসরি অভিযোগ করে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, কার্লাইল দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে চাইছেন— এমন মনে করার যথেষ্ট সংগত কারণ রয়েছে। সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন রেখে তাই তিনি ভারতে আসতে চেয়েছিলেন। সে কারণেই তার ভিসা বাতিল করা হয় এবং তাকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়ার আইনজীবী আলেক্স কার্লাইলকে নিয়ে কয়েকদিন ধরেই ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতি সরগরম। বাংলাদেশ তাকে সেদেশে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না বলে ভারতে এসে তিনি বিচারব্যবস্থা ও রাজনীতির ‘অবস্থা ব্যাখ্যার’উদ্যোগ নেন। যা একটি দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। কার্লাইলের আচরণে অন্য দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার প্রয়াস স্পষ্ট যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলেও মনে করেন অনেক আইন বিশেষজ্ঞরা।




photo
বিশেষ বিজ্ঞাপন