আজ সোমবার | ১৫ অক্টোবর, ২০১৮ || ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ || সময় ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
photo

চন্ডালহাতার ত্রাস ‘কাজল মেম্বার’ কারাগারে

     শনিবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

Photo
গাজীপুর জেলা কারাগার

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সনমানিয়া ইউনিয়নস্থ চন্ডালহাতা গ্রামের ত্রাস কাজল মেম্বারের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

নারী নির্যাতনের মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার কাজল মেম্বারকে শনিবার বিকেলে গাজীপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

এসময় তার জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এরপরই পুলিশ কাজল মেম্বারকে প্রথমে কোর্টের হাজতখানা পরে কারাগারে পাঠায়। ওই নারী নির্যাতনের মামলায় প্রধান আসামী কাজল মেম্বার।

এলাকাবাসী জানায়, চন্ডালহাতার অধিবাসী এই সন্ত্রাসী কাজল মেম্বার। তার সহযোগীরা তাকে কাজল মেম্বার বলে ডাকলেও তার আসল নাম মোঃ কাজল মিয়া। তিনি সেই গ্রামের রফিজ উদ্দিন টুকুর ছেলে। তিনি কোনো সময়ই মেম্বার ছিলেন না। একবার স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

বার বার অপরাধ করে পাড় পেয়ে যাওয়া মোঃ কাজল মিয়া ওরফে কাজল মেম্বার অপরাধ জগতের ক্যারিয়ারে আইন-আদালত, পুলিশ কাউকেই পাত্তা দেননি।

কাজল মেম্বারকে গ্রেফতারের চেষ্টা এর আগেও করেছেন পুলিশ। কিন্তু প্রতিবারই আইনের জাল কেটে আর পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গেছেন কাজল মেম্বার।

চলতি বছরের ১৬ মে বুধবার দিবাগত রাতে প্রতিবেশী নাসিরের স্ত্রীকে অপহরণ ধর্ষণের চেষ্টা করে কাজল মেম্বার। সেই ঘটনার সূত্র ধরে আদালতের নির্দেশে গতকাল শুক্রবার বিকেলে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

জানতে চাইলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডিপার্টমেন্ট এর অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, নাসিরের স্ত্রীকে নির্যাতন করে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় সন্ত্রাসী কাজল, আইন উদ্দিন ইলিয়াছ।

ঘটনায় ভিকটিম কাপাসিয়া থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেননি। পরে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডিপার্টমেন্ট এর সহযোগিতায় গত জুন গাজীপুরের নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়।

আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্তের জন্য সনমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদাৎ হোসেন মাস্টারকে নির্দেশ দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা সরেজমিন তদন্তে ঘটনার সত্যতা পান।

পরে গত জুলাই আদালতে ৩০ পাতার প্রতিবেদন জমা দেন শাহাদাৎ হোসেন মাস্টার। এর প্রেক্ষিতে গত ২৫ জুলাই আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী ওয়ারেন্ট জারী করেন গাজীপুরের নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।-ষষ্ঠ পর্ব

আরও পড়ুন : অবশেষে গ্রেফতার হলেন কাপাসিয়ারকাজল মেম্বার




photo
বিশেষ বিজ্ঞাপন